হিন্দু সাম্রাজ্য দিন উৎসব

হিন্দু সাম্রাজ্য দিন উৎসব

ভারত ভূমির হে বীর নায়ক Bharat Bhumir He bir nayak

DOWNLOAD MP3

সমবেতগীত

ভারত ভূমির হে বীর নায়ক, জয়তু শিবাজী জয়

হিন্দু কুলের হে হৃদয় রাজ, জয় জয় তব জয়।।

হে মহাতাপস, হে অভিনেতা, হে রণজয়ী সঙ্কটত্রাতা

রাষ্ট্রসাধক, ধর্মধারক, তোমারই গাহি জয়।।

হে রাজাধিরাজ হে উদার প্রাণ, হে যুগদ্রষ্টা চির মহীয়ান

তব আদর্শে ভারতবর্ষে, ঘটুক অভ্যুদয়।।

তব অভিষেক- উৎসবে আজি, অভয় শঙ্খ উঠিয়াছে বাজি

কন্ঠে কন্ঠে উদ্ ঘোষ ওঠে, জয় হিন্দুর জয়

জয় ভারতের জয়, জয় শিবাজীর জয়।।

শিবাজী উৎসব

ভারত ভূমির হে বীর নায়ক Bharat Bhumir He bir nayak

একক গীত

হে রাজা শিবাজী তব অভিষেকে
জানাই মোদের প্রণতি,
তোমার আশিষে জাগুক আবার
দীপ্ত স্বদেশ ভক্তি।।

আজি দুর্যোগে তোমারেই স্মরি
হে অধিনায়ক তোমারেই বরি
আঁ্ধার ভারতে এসো আলো হাতে
বিজয় সূর্য সারথি।।

তব বীর্যের তুর্য শুনুক যারা আজও আছে ঘুমায়ে
নির্ভয় নিঃসংশয় কর
অভয় মন্ত্র শুনায়ে।
স্বরাট ধ্যানের কঠিন কর্মে
দূর্জয় তব শক্তি ধর্মে
নিরাশা জড়তা কর কর দূর
প্রাণে দাও নব শক্তি

তব গৈরিক গরিমা কেতন
উড়ুক আবার আকাশে
হাজার কন্ঠে হর হর ধ্বনি
উঠুক আবার বাতাসে।
কর্মযোগের নির্ঝর ধারা
এনে দিক প্রাণে জীবনের সাড়া
মার অঙ্গনে সার্থক হোক
তোমার পূজার আরতি



অমৃত বচন

শ্রীগুরুজী বলেছেন- ‘ আমি বলব যে, দেশের বর্তমান অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের অসাধারণ নিতি প্রাপ্ত রাজা শিবাজীর পবিত্র স্মৃতিচারণার দ্বারা তাঁর উতসাহময় আদর্শ জীবন থেকে প্রেরণা গ্রহণ করা উচিৎ। যদি তাঁর নীতিসমূহকে সময়োপযোগী তৈরি করে পূর্ণ উৎসাহের সঙ্গে নিজেদের কাজের অগ্রগতিতে লাগান যায় তাহলে আমাদের সমগ্র রাষ্ট্র জীবনকে পূনঃস্থাপন করতে এবং তাকে শ্রেষ্ঠত্বের রূপ দেবার আকাঙ্খাকে অবশ্যই পূরণ করতে পারবে’।‘ আমি বলব যে, দেশের বর্তমান অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের অসাধারণ নিতি প্রাপ্ত রাজা শিবাজীর পবিত্র স্মৃতিচারণার দ্বারা তাঁর উতসাহময় আদর্শ জীবন থেকে প্রেরণা গ্রহণ করা উচিৎ। যদি তাঁর নীতিসমূহকে সময়োপযোগী তৈরি করে পূর্ণ উৎসাহের সঙ্গে নিজেদের কাজের অগ্রগতিতে লাগান যায় তাহলে আমাদের সমগ্র রাষ্ট্র জীবনকে পূনঃস্থাপন করতে এবং তাকে শ্রেষ্ঠত্বের রূপ দেবার আকাঙ্খাকে অবশ্যই পূরণ করতে পারবে’।

বঙ্গপ্রদেশে প্রথম শিবাজী উৎসব পালনের ইতিবৃত্ত:-

মহারাষ্ট্রে লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে 1895 সালে তৎকালীন পুনেতে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে মান্ডাইতে ( বর্তমানে মহাত্মা ফুলে মার্কেট) -এ প্রথম শিবাজী উৎসবের প্রবর্তন করেন।১৩৭৯ বঙ্গাব্দে সখারাম গণেশ দেউস্কর কলকাতায় মহারাষ্ট্রের এই শিবাজী উৎসবকে বঙ্গদেশে প্রচলনে উৎসাহী হন। তাঁর অনুরোধে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ শিবাজী উৎসব’ কবিতাটি রচনা করেন।শিবাজী উৎসব উপলক্ষে কলকাতার পাতির মাঠে ( বর্তমানে বিধান সরণীর বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্রাবাস অঞ্চল) ৪জুন থেকে ৮জুন ১৯০২ -এ স্বদেশী শিল্প মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মূল অনুষ্ঠানটি হয় বৃহস্পতিবার ৫ই জুনঅশ্বিনী কুমার দত্তের সভাপতিত্বে তৎকালীন ভারতের নেতৃত্ব স্থানীয় বাল গঙ্গাধর তিলক, বিপিন চন্দ্র পাল, গণেশ কৃষ্ণ থাপাদে ও মুন্জ্ঞের এর উপস্থিতিতে বিশেষ সমারোহের সাথে শিবাজী উৎসব পালিত হয়। রবীন্দ্রনাথ রচিত ‘ শিবাজী উৎসব’ কবিতাটি পাঠ করেন শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী।

প্রতিনিধি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অ্যাক্‌ওয়ার্থ্‌ সাহেব কয়েকটি মারাঠি গাথার যে ইংরাজি অনুবাদগ্রন্থ প্রকাশ করিয়াছেন তাহারই ভূমিকা হইতে বর্ণিত ঘটনা গৃহীত। শিবাজির গেরুয়া পতাকা “ভগোয়া ঝেণ্ডা’ নামে খ্যাত।