শ্রী রাখি পূর্ণিমা উৎসব

শ্রী রাখি পূর্ণিমা উৎসব

প্রস্তুতি

১) ডাক্তারজী, গুরুজী, ভারতমাতার ছবি এবং পর্যাপ্ত রাখির ব্যবস্থা থাকা চাই

২) পরিচ্ছন্ন ধ্বজ, ধ্বজ দন্ড, ধ্বজ মালা, ব্যবস্থা থাকা চাই

৩) ধ্বজস্থান সজ্জার ব্যবস্থা রাখা

৪) সঙ্ঘস্থানে বসবার উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকলে ভালো

৫) গ্রামের সকল নাগরিকের উপস্থিতির উপরে জোর দিলে ভালো হবে।

কার্যক্রমের রূপরেখা

  • ১.সম্পত
  • ২.ধ্বজোত্তলন
  • ৩.সমবেত গীত(উপবিশ দিয়ে)
  • ৪.সুভাষিত
  • ৫.পরিচয়
  • ৬.অমৃতবচন
  • ৭.একক গীত
  • ৮.বৌদ্ধিক
  • ৯.প্রধান অতিথির সংক্ষিপ্ত বক্তব্য( যদি থাকেন)
  • ১০.প্রধান অতিথি কর্তৃক ধ্বজে রাখি বাঁধা ও প্রধান অতিথিকে রাখি বাঁধা
  • ১১.প্রার্থনা
  • ১২.ধ্বজাবতরণ
  • ১৩.বিকির
  • ১৪সকল স্বয়ংসেবক কর্তৃক পরস্পরকে এবং কার্যক্রমে আগত সকল মাতা, ভগিনী, সুধী নাগরিকবৃন্দকে রাখি বাঁধা
  • ১৫. কার্যক্রমের পরে পার্শবর্তী গ্রাম/মহল্লা, বাজার, বিদ্যালয়, অফিস ইত্যাদি-স্থানে গিয়ে সকলকে রাখি বেঁধে সমস্ত সমাজকে একই সুত্রে বাঁধা ।
  • (বিশেষ পরিস্থিতিতে সময় ও স্থান অনুসারে কার্যক্রমের রূপরেখা পরিবর্তনযোগ্য)

বাংলা গীত

আজ বাধবো রাখি Download MP3

Hindi Geet

Jug Paribartan ki bela me Download MP3

সুভাষিত

অল্পানামপি বস্তুনাং, সংহতিঃ কার্যসাধিকা।

তৃণে গুর্নত্ব মাপনে, বধ্যন্তে মত্তদন্তিনঃ।।

অর্থ- সাধারণ বস্তুও সংগঠন কার্যসিদ্ধির ক্ষমতা প্রদান করে । তৃণের মধ্যেও যদি গুন আরোপ করা যায় তাহলে মত্ত হাতীকেও বাঁধা যায়।

অমৃতবচন

ঋষি অরবিন্দ বলেছেন-

“ভারত আজ স্বাধীনতা লাভ করল বটে কিন্তু একত্ব লাভ করেনি । যে উপায়েই হোক, আর যে দিক দিয়েই হোক এই ভারত বিভাগ রদ করতেই হবে, ঐক্য লাভের একান্তই প্রয়োজন এবং তা হবেই, কারণ ভারতের মহৎ ভবিষ্যতের জন্যে তা অপরিহার্য ।

বৌদ্ধিকের বিষয় বিন্দু

রাখি বন্ধন নিয়ে কিছু কাহিনী

পৌরাণিক রাখীবন্ধন

কৃষ্ণ ও দ্রৌপদী

মহাভারতে আছে, একটি যুদ্ধের কৃষ্ণের কবজিতে আঘাত লেগে রক্তপাত শুরু হলে পাণ্ডবদের স্ত্রী দ্রৌপদী তাঁর শাড়ির আঁচল খানিকটা ছিঁড়ে কৃষ্ণের হাতে বেঁধে দেন। এতে কৃষ্ণ অভিভূত হয়ে যান। দ্রৌপদী তাঁর অনাত্মীয়া হলেও, তিনি দ্রৌপদীকে নিজের বোন বলে ঘোষণা করেন এবং দ্রৌপদীকে এর প্রতিদান দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। বহু বছর পরে, পাশাখেলায় কৌরবরা দ্রৌপদীকে অপমান করে তাঁর বস্ত্রহরণ করতে গেলে কৃষ্ণ দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষা করে সেই প্রতিদান দেন। এইভাবেই রাখীবন্ধনের প্রচলন হয়।

বলিরাজা ও লক্ষ্মী

অন্য একটি গল্পে রয়েছে, দৈত্যরাজা বলি ছিলেন বিষ্ণুর ভক্ত। বিষ্ণু বৈকুণ্ঠ ছেড়ে বালির রাজ্য রক্ষা করতে চলে এসেছিলেন। বিষ্ণুর স্ত্রী লক্ষ্মী স্বামীকে ফিরে পাওয়ার জন্য এক সাধারণ মেয়ের ছদ্মবেশে বলিরাজের কাছে আসেন। লক্ষ্মী বলিকে বলেন, তাঁর স্বামী নিরুদ্দেশ। যতদিন না স্বামী ফিরে আসেন, ততদিন যেন বলি তাঁকে আশ্রয় দেন। বলিরাজা ছদ্মবেশী লক্ষ্মীকে আশ্রয় দিতে রাজি হন। শ্রাবণ পূর্ণিমা উৎসবে লক্ষ্মী বলিরাজার হাতে একটি রাখী বেঁধে দেন। বলিরাজা এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে লক্ষ্মী আত্মপরিচয় দিয়ে সব কথা খুলে বলেন। এতে বলিরাজা মুগ্ধ হয়ে বিষ্ণুকে বৈকুণ্ঠে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন। বলিরাজা বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেন। সেই থেকে শ্রাবণ পূর্ণিমা তিথিটি বোনেরা রাখীবন্ধন হিসেবে পালন করে।

ঐতিহাসিক রাখীবন্ধন

মহামতি আলেকজান্ডার ও পুরু রাজা

একটি কিংবদন্তী অনুযায়ী, ৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করলে আলেকজান্ডারের স্ত্রী রোজানা রাজা পুরুকে একটি পবিত্র সুতো পাঠিয়ে তাঁকে অনুরোধ করেন আলেকজান্ডারের ক্ষতি না করার জন্য। পুরু ছিলেন কাটোচ রাজা। তিনি রাখীকে সম্মান করতে। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি নিজে আলেকজান্ডারকে আঘাত করেননি।



Step 2 dissertations services audio files next, download audacity, the free sound recording software.